সর্বশেষ
বিরোধী দল দমনে দুদক ব্যবহারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মীর কাসেমের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: ডা. শফিক দুই দশক পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের কাছে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস রামেকের অনিয়ম ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি তানজিদ শুধু বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে: প্রধানমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট, যা বললেন ইসি সচিব সাইবার সুরক্ষা ও আইসিটি খাতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন
প্রচ্ছদ / সারাদেশ
সারাদেশ

বাগমারা'য় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পিয়নের কাজ করছেন সুইপার,"বিপাকে রোগী"তথ্য দিতে অস্বীকৃতি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

বাগমারা'য় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পিয়নের কাজ করছেন সুইপার,"বিপাকে রোগী"তথ্য দিতে অস্বীকৃতি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

রাজশাহীর বাগমারা  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দীর্ঘদিন ধরেই জনবল সংকটে  ভুগছে। জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এখানে কর্মরত  চিকিৎসকেরা।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল  সাড়ে ১০টার দিকে  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, পিয়নের পরিবর্তে আউটসোর্সিংয়ের  মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া এক সুইপার  চিকিৎসকের কক্ষে বসে রোগীদের সিরিয়াল দিচ্ছেন। খোঁজ  নিয়ে জানা যায়, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালে ২৪ জন চতুর্থ শ্রেণির  কর্মচারী (পিয়ন,আয়া, ওয়ার্ডবয়) থাকার কথা থাকলেও কর্মরত  আছেন মাত্র ৪ জন। বাকি সব  পদই শূন্য। এছাড়াও ৩ জন অফিস সহকারী থাকার কথা থাকলেও সেই পদগুলোও শূন্য  পড়ে আছে।

ফলে নানা অনিয়ম ও সংকটের  মধ্যেই চিকিৎসা কার্যক্রম চালু  রাখতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা  সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে  আসা ফজলুর রহমান, জোসনা বেগম, শহিদুল ইসলাম ও মমেনা বেগমসহ  একাধিক রোগী অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসকের দরজায় দায়িত্বে থাকার  কথা পিয়নের, অথচ সেখানে সুইপারকে বসিয়ে কাজ চালানো  হচ্ছে। এতে রোগী ও তাদের স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা  দ্রুত জনবল নিয়োগের মাধ্যমে  স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের  হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা  স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সাফিউল্লাহ নেওয়াজ সংবাদকর্মীদের  কাছে তথ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। তবে কথা প্রসঙ্গে তিনি  জনবল সংকটের বিষয়টি  স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “হাসপাতাল নিয়ে অনেক লেখালেখি  হয়েছে, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। সরকার এখন জনবল নিয়োগ  দিবে না। এমনকি হাসপাতালের  বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি ব্যক্তিগত খরচ বহন  করছেন বলেও  উল্লেখ করেন।

জনবল সংকট ও স্বাস্থ্যসেবার  মান নিয়ে জানতে চাইলে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি  খতিয়ে দেখে জেলা সিভিল  সার্জন ও জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা  হবে।

সম্পর্কিত খবর