” পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ”এই স্লোগানকে সামনে রেখে বর্তমান বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অর্জনের পাল্লা এখন সুনামের খাতায় প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে,ভারী হচ্ছে সুনামের ক্রমিক নম্বর।
বলছি এক জন সদস্যের কথা,একজন নেতা যেমন তার কর্মীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে নেতৃত্ব প্রদান করে সংগঠনকে এনে দেয় সফলতা,এগিয়ে নিয়ে যায় তার গন্তব্যের চুড়ায়,
একজন কোচ যেভাবে খেলার মাঠে তার আত্মবিশ্বাসের সাথে একটা স্তর তৈরি করে তার শিষ্যের কাছ থেকে সেরাটুকু বের করে নিয়ে আসে ঠিক তেমন ভাবেই তার অফিসারদের আত্মবিশ্বাসী স্তর তৈরি করে কাজ করিয়ে নেন এবং বুঝে নেন ষোল আনা।শত বিপদ ও প্রতিকূলতার মধ্যে যিনি বট গাছের মতেন আগলে রাখেন তার অধীনস্থ সদস্যদের।
তিনি আর কেউ নন,তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্ব কিংবদন্তী রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আবুল কালাম আজাদ পেশাগত দক্ষতা,মানবিকতা ও জনবান্ধব আচরণের মাধ্যমে একজন প্রগতিশীল পুলিশ কর্মকর্তার উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
বগুড়ার সন্তান আবুল কালাম আজাদ ২০০৭ সালে এসআই হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনিতে যোগাদান করেন। এরপর ২০১৭সালে পুলিশ পরিদে পদোন্নতি লাভ করেন।পরে তিনি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পবা থানা,শাহমখদুম থানা এবং নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।পরবর্তিতে ২০২০ সালের ২৬ ডিসেম্বর হতে ২০২২ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত জেলার আত্রাই থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সদা হাস্যোজ্জ্বল,মিষ্টভাষী ও মানবসেবায় নিবেদিত প্রাণ এই পুলিশ কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশে যোগদান করেন।
আরএমপির বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি
হিসেবে ২৬-১২-২০২৪ থেকে ২০-০৫-২০২৫ দায়িত্ব পালন করেন।এরপর ২১-০৫-২০২৫ থেকে ১৮-০৮-২০২৫ চন্দ্রিমা থানা,১৯-০৮-২০২৫ থেকে ০৯-১২-২০২৫ বোয়ালিয়া মডেল থানা,১০-১২-২০২৫ থেকে ১৭-০৪-২০২৬ মতিহার থানা বর্তমানে তিনি ১৮-০৪-২০২৬ তিনি রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হিসেবে যোগদান করছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ দমনের পাশাপাশি জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। প্রশাসনিক দক্ষতা,নৈতিকতার প্রতি অঙ্গীকার এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর সহানুভূতির কারণে তিনি এলাকায় একজন আস্থাশীল প্রশাসক হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে থানাটিতে পুলিশের প্রতি জন-আস্থা ও নিরাপত্তা বোধ বেড়েছে, যা অতীতে অন্য কারো ক্ষেত্রে দেখা যায়নি।
বর্তমানে সর্বস্থানে এনে দিয়েছেন পরিবর্তনের হাওয়া,
কাজের গতিশীলতা,সফলতা সবকিছুর পেছনে এই মানুষটার অংশগ্রহণ। নাগরিক সেবা ও জন-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত তার নির্দেশে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে অধিনস্ত পুলিশ সদস্যরা।
চোর ছিনতাইকারী,চাঁদাবাজ,মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ দখলদারদের কবলে পরে অনেকেই অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেন,অনেকের মোবাইল ফোন চুরি। আরএমপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে,মাদক সহ একাধিক অপরাধের মুখোশ উন্মোচন করেছেন।একজন মানবিক ও নিষ্ঠাবান এই পুলিশ কর্মকর্তা। অসংখ্য নিদর্শন তৈরি করে তিনি তার অধীনস্থ অফিসারদের নিয়ে বাস্তবায়ন করেছেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশে যোগদানের মধ্যেই তার সৎ চিন্তা,পেশাদারত্ব ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বদলে গেছে থানা গুলোর চিত্র ও পুলিশের আচরণ। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে নেন একাধিক যুগোপযোগী পদক্ষেপ। ফলে রাজপাড়া থানা এখন জনতার আস্থার এক উজ্জ্বল ঠিকানা। অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া এই কর্মকর্তা নগরবাসীর কাছে এক জন মানবিক পুলিশ হিসেবেই পরিচিত।
এছাড়াও তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে বিপদগ্রস্ত মানুষকে সেবা প্রদান করা সহ অপরাধ দমনে অসীম সাহসী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে।ইতিপূর্বে নগর বাসীর কাছে একজন সফল কর্মকর্তা হিসেবে খুব সুনামের সহিত দায়ত্বি পালন করে যাচ্ছেন। অর্জন করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা।দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী,মাদক কারবারি,ভূমিদস্যু,চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যেন যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।নগরবাসীর সকল শ্রেণির মানুষের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা নিয়ে তিনি নিজেই কথা বলে তাৎক্ষাণিক সমাধান করে দিয়েছেন।
উন্নতশীল ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হলে সবার আগে দরকার অপরাধ প্রবণতামুক্ত একটি সুন্দর সমাজ।কারণ তৃনমুলের জনপদ ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকে,সচল থাকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।
ফলে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের মাধ্যমে জনগনের ভাগ্য উন্নয়নে সহায়ক হিসেবে কাজ করে বিশ্বের উন্নতশীল দেশ সমুহের দিকে তাকালে বাস্তব চিত্র এমনটাই পরীলক্ষিত হয়।বর্তমান সরকারের সফল উদ্যোগের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশ এখন সবক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি শাখায় সমৃদ্ধি যেমন বাড়ছে,তেমনি জনগনের জীবন-যাত্রার মানোন্ননয় ও হচ্ছে।উন্নয়ন সমৃদ্ধ একটি স্বর্নিভর বাংলাদেশ দেখতে চাইলে একটি সুন্দর সমাজ বির্নিমানের জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
নেতিবাচক এসব কাজের ব্যাপারে বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও বর্তমান প্রজন্মকে সচেতন করে তুলতে হবে। চাকরীর খাতিরে থানায় অনেক পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।কিন্তু আবুল কালাম আজাদ থানা গুলোতে যোগদানের পর থেকে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশা-পাশি বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।কি ভাবে অপরাধীকে কৌশলে অন্ধকার জগত থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে বেশ ভালোই জানেন সাহসী এই পুলিশ কর্মকর্তা।
আরএমপির থানা গুলোতে যোগদানের পর থেকে আজ পর্যন্ত কেউ বিনাদোষে গ্রেপ্তার হয়নি। নির্দোষ কাউকে ফাঁসাতে পারেনি কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি’রা। দোষী ব্যক্তি ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে ও পার পায়নি। কোন মাদক ব্যবসায়ী,সন্ত্রাসীর কাছ থেকে মাশোয়ারা নেয়- নি। কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি পুলিশকে ব্যবহার করতে পারেনি।
কোন মাদক ব্যবসায়ী পার পায়নি,সে সকল অপরাধিরা অনেক ভাবে স্বরযন্ত্র করেও তার কাজের অগ্রযাত্রাকে দমাতে পারেনি।অবশেষে অনেক অপরাধী তার কাছে নত শিকার করতে বাধ্য হয়েছে।পুলিশের রুটিন ওয়ার্কের বাইরেও সাহসী এ পুলিশ কর্মকর্তা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন দেশ এবং জাতীর কল্যাণের জন্য।
তিনি একজন সৎ,নি:স্বার্থ,নির্লোভ,সহজ-সরল,মানবিক পরিচ্ছন্ন ও রুচিশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে আরএমপিতে
সত্যিই নজর কেড়েছেন তিনি।স্থাপন করেছেন অনন্য উদাহরণ।তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্বিত কর্মকর্তা।কর্মদক্ষতা,বিচক্ষণতা এই পুলিশ কর্মকর্তার নাম এখন সবার মুখে,মুখে একজন মানবিক পুলিশ হিসেবে পরিচিত তিনি।এছাড়াও এই মানবিক পুলিশ কর্মকর্তার অনেক প্রশংসনীয় গুণাবলি রয়েছে।
তার এসকল কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত কমিশনার ড মোঃ জিললুর রহমান স্যারের নির্দেশে মেনে কাজ করছি।“পুলিশ জনগণের বন্ধু—এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে আমরা কাজ করছি।রাজপাড়া এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঠিক নির্দেশনা,সহকর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং সর্বোপরি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাতেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। অপরাধ দমনে আমাদের এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।