সর্বশেষ
বিরোধী দল দমনে দুদক ব্যবহারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মীর কাসেমের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: ডা. শফিক দুই দশক পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের কাছে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস রামেকের অনিয়ম ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি তানজিদ শুধু বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে: প্রধানমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট, যা বললেন ইসি সচিব সাইবার সুরক্ষা ও আইসিটি খাতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন
প্রচ্ছদ / আইন আদালত
আইন আদালত

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সোমবার (২৫শে আগস্ট) বেলা১১ টার সময়   কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিসে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের গাজীপুরের সহকারী পরিচালক এনামুল হক এর নেতৃত্বে ৪ সদস্যর একটি টিম এ অভিযান চালায়। অভিযানে হাসপাতালের কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়মিত অফিস না করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নার্স, ডাক্তারের বাথরুম পরিস্কার পাওয়া গেলেও রোগীদের বাথরুম অপরিস্কার পাওয়া গেছে। এন্টিবায়োটিক ওষুধের তালিকা রেজিস্ট্রারে নাই। অফিস কর্মকর্তা, কর্মচারীরা নিয়মিত হাসপাতালে আসেননা। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন সকাল থেকেই ছদ্মবেশে কাজ করছিলেন। পরে দুপুরে তারা অভিযান পরিচালনা করেন। বাজারে ওষুধ বিক্রি করাসহ নানা অনিয়ম চোখে পড়ে দুদকের। অভিযান শেষে  সহকারী পরিচালক এনামুল হক বলেন, মূলত বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করে যাচাই করে দেখলাম, রোগীরা ঠিকমত ওষুধ পাচ্ছে না। জরুরী বিভাগে কোন রোগী সেলাই বা ব্যান্ডেজ করলে তাদের কাছ থেকে জোর করে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়। একজনে যে পরিমাণ খাবার পাওয়ার কথা তার অর্ধেকও পাচ্ছে না। ৮ থেকে ১০ মাস যাবৎ রোগীদের শুধুমাত্র বয়লার মুরগি খাওয়ানো হচ্ছে। ৫০ জন রোগীর জন্য প্রায় ১০ কেজি পরিমাণ মাংস থাকার কথা সেখানে আমরা পরিমাপ করে ঝোল সহ ৪ কেজির মত পেয়েছি। টেন্ডারের কাগজ দেখাতে চাইলে তারা দেখায়নি। অফিস হিসাব রক্ষক অফিসারের অনুপস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে এসব কাগজ দেখাতে রাজি হয়নি। তিনি আরও বলেন, সরকারি ওষুধ না থাকার অজুহাত দেখিয়ে বাজার থেকে ওষুধ ক্রয় করতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া হাসপাতাল থেকে কর্মকর্তা, কর্মচারী যখন বের হন তারা বায়োমেট্রিক ব্যবহার করেননা। এতে করে কে কয়টায় বের হয় তার কোন হিসাব নাই। আমরা অনেক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেবো। দুদকের অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশীদ, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী প্রমুখ।

স্বানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশীদ তাই স্বীকার করেন।

সম্পর্কিত খবর